সকল সংবাদ

  admin2 ২৬ অক্টোবর ২০২১ , ১১:৫৭:১৬ 111

কপিলমুনির ব্যস্ততম নাছিরপুর সড়কটির অবশিষ্টাংশ সংস্কারের দাবী।

এস,কে আলীম কপিলমুনি খুলনা।

কপিলমুনি শহরের প্রাণকেন্দ্রে গ্রামিন ব্যাংকের সামনে নাছিরপুর সড়কটির কিয়দংশ বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রায় দু’শ গজ এই সড়কটি দীর্ঘদিন বেহাল অবস্থায় থাকলেও আজও সংস্কার করা হয়নি। ২০০৩ সালে সড়কটির আংশিক অংশ রড ছাড়াই ইটের খোয়া দিয়ে ঢালাই করা হয়। ঢালাইয়ের বছর দুয়েক পর ঢালাই ভেঙ্গে খোয়া উঠতে শুরু করে। বর্তমানে সড়কটির ঢালাইয়ের কোন অস্তিত্ব নাই। শুধু খোয়া নয় সলিংয়ের অধিকাংশ ইট ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে সড়কটি ড্রেনে পরিনত হয়েছে। বর্ষা হলেই শহরের পুলিশফাঁড়ি এলাকার সমগ্র পানি এ সড়কটির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে বর্ষা মৌসুমে পথচারী সহ যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়কটি বর্তমানে ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। পঁচা কাদাপানি আর ময়লা আবর্জনার কারণে সড়কটি চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন শত শত স্কুল কলেজ গামী ছেলেমেয়েরা এখন এ সড়কটি দিয়ে যাতায়ত করতে না পেরে অনেক পথ অতিক্রম করে জাফর আউলিয়া সড়ক দিয়ে তাদের বিদ্যাপিঠে যেতে হচ্ছে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নৈশ প্রহরার কাজে এসড়কটি ব্যবহার করতে পারছেনা। সড়কটির দুধারে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্টান,চিকিৎসালয়,ব্যাংক সহ গড়ে ওঠা আবাসিক এলাকার লোকজনদের দূর্ভোগ চরমে উঠেছে। কপিলমুনি বাজারের গুরত্ব বিবেচনা করে এল জি ডি’র তত্বাবধানে এশিয়ান উন্নয়ণ ব্যাংক (এডিবি) ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ২০১৬ সালের জুলাই মাসে বাজারের কয়েকটি রাস্তা ঢালাই ও ড্রেন নির্মাণের জন্য বরাদ্ধকৃত ৭ কোটি ৪৩ হাজার ২ শত ৮৪.৮৯ টাকা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের আওতায় এ সড়কটির কপিলমুনি কলেজ মোড় থেকে ঢালাই ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে আলোকিত সমবায় সমিতির সামনে এলেই নির্মাণ কাজ থমকে যায়। একটি স্বার্থন্বেষী মহলের প্রবল বাঁধার কারণে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান মেসার্স ফয়সাল ট্রেডার্স নির্মাণ কাজ বন্ধ করে চলে যায়। সেই থেকে রাস্তাটি আর নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। কপিলমুনি কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুল্যাহ বাহার বলেন, শত শত ছাত্রছাত্রীদের যাতায়তের সুবিধার্তে সড়কটির মাত্র ২শ’ গজ অংশ সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন। আলোকিত সমবায় সমিতির সভাপতি মিলন দাশ জানান,ব্যস্ততম এ সড়কের অবশিষ্ট অংশটি সংস্কার এখন সময়ের দাবীতে পরিনত হয়েছে।গ্রামীন ব্যাংকের ব্যবস্থাপক শ্রী কৃষ্ণ বণিক জানান, শত শত গ্রাহক এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যাংকে যাওয়া আসায় ভূগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। বৃহত্তর জনস্বার্থে অচিরেই অবশিষ্ট রাস্থাটি সংস্কার সহ পুলিশ ফাঁড়ি মোড়ে একটি কালভার্ট নির্মাণেরর জন্য এলাকাবাসী স্থানীয় এমপি সহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকার্ষণ করেছেন।

আরও খবর:

Sponsered content