1. admin@deshsangbad24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
পটুয়াখালীতে স্বামী-স্ত্রীর গলায় ফাঁস লাগানো মরদেহ উদ্ধার মিরপুরে মাঠ থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ কুষ্টিয়ায় আগুনে পুড়লো রেস্তোরাঁ-দোকান কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন সুদের টাকার চাপে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা গৃহবধূর : কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত লাভলুর টানে নদী সাঁতরে বাংলাদেশে,এখন সুখের সংসার ভারতের সঞ্জনার মেয়েকে হত্যার পর ধানক্ষেতে পুঁতে রাখলেন সৎ বাবা কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ক্যামেরা ভাংচুর : ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম গাইবান্ধায় নবজাতক বিক্রির টাকায় ঋণ পরিশোধ করলেন বাবা-মা

সাতক্ষীরা থেকে প্রায় বিলুপ্তির পথে হাজার বছরের ঐতিহ্য মৃৎশিল্প

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০২২
  • ১৭৭ জন দেখেছে

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দ মুধুসুদনপুর গ্রামসহ এক সময় গ্রাম বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে রান্নাবান্না, খাওয়া-দাওয়া আর অতিথি আপ্যায়ন, প্রায় সব কাজেই মাটির তৈরি হাড়ি পাতিলের ব্যবহার ছিলো। স্বাস্থ্যকর আর সহজ লভ্য ছিলো বলে সব পরিবারেই ছিলো মাটির পাত্রের ব্যবহার।

শীতে খেজুর রস সংগ্রহের জন্য হাড়ি, বাহারি চিতই, পুলি ও ভাঁপা পিঠাসহ নানান জাতের পিঠার জন্য খোলা, দধির পাতিল, টালি, মাটির কলস, লক্ষীঘট, খোলা মুচি, নাদা, মুটকিথালা বাসন, হাড়ী পাতিল সহ বিভিন্ন মাটির সরঞ্জাম তৈরি করতো গ্রাম বাংলার কুমাররা। সেগুলো ভ্যান বা মাথায় করে বিক্রি করেই চলতো তাদের সংসার। খড়, কাঠি আর মাটির সাথেই তাদের জীবনপণ যুদ্ধ ছিলো।

তাদের এই বাহারি মাটির তৈরি সরঞ্জাম তৈরি দেখতে ভিড় জমতো শত শত মানুষ। আর চুলোয় আগুন দেবার সময় আয়োজন করতো কুমাররা, মিষ্টি কিংবা ছিড়ার মোড়া বিলি করতো তারা।

এখন সময়ের পেক্ষাপটে হারিয়ে গেছে এসব চিত্র। এখন তারা কুমার পেশা ছেড়ে দিয়ে ভিন্ন পেশায় ধাবিত হচ্ছে। এর ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে হাজার বছরের ঐতিহ্য আর গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি। মুকুন্দ মুধুসুদনপুর গ্রামে এখন মাত্র ৫/৭ টি পরিবার মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িত থাকতে দেখা যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামের কয়েকজন কুমারের সাথে কথা হয়, তারাপদ পাল নামে এক কুমার ও তার স্ত্রী রাধারানী পাল, তাদের দুর্বিসহ যন্ত্রণার কথা বলেন। এ পেশায় তাদের ঠিকমতো সংসার চলে না। খেয়ে না খেয়েই কাটে তাদের সংসার। এ পেশা ছেড়ে ভিন্ন পেশায় যাবার পুঁজি নেই বলে পেশা পরিবর্তন করতে পারছেন না তারা।

সুপদ পাল নামে এক কুমার বলেন, এক সময় মাটি পেতাম বিনামূল্যে, আর গত দু’বছর আগেও তা ছিলো মাত্র চার’শ টাকায় প্রতি গাড়ি। আর এখন তা ১২’শ থেকে ১৫’শ টাকায় মাটি কিনতে হচ্ছে। কাঁচামালগুলো পোড়াতে কাঠ আর খড়ের দামও বেড়েছে কয়েকগুন।

সব মিলিয়ে বাজারের সব কিছুর দাম বাড়লেও দাম বাড়েনি মাটির তৈরি সরঞ্জামের । একটি খোলা তৈরিতে প্রায় ১৫ টাকা খরচ হলেও বিক্রি হয় ২০/২২ টাকা।
এ সময় হরিপদ পাল, সন্তোষ পাল ও জানান একই কথা। সরঞ্জামাদি তৈরিতে খরচের সাথে বাজার মূল্য নেই।

এছাড়াও আগের মতো এখন আর মাটির পাত্রের চাহিদাও নেই। কারো প্রয়োজন হলে মাঝে মধ্যে নেন। বছরের অধিকাংশ সময়ই কাটে বসে থেকে। এ পেশায় থাকার কারণে আর কোনো কাজ করতে পারেন না তারা। এজন্য সংসার চালাতে কষ্ট হয়। এক সময় পালদের সবাই ছিল কুমার পেশার সাথে, এখন আর নেই।

যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে বাব, দাদার এই পেশা বাদ দিয়ে বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা এদিকে অধিকাংশই কষ্ট করে হলেও বাবা-দাদার এ পেশা চালিয়ে যেতে বাধ্য।
তারা আরও বলেন, সরকারি সহযোগিতা আর বাজারের চাহিদা থাকলে হয়তো হাজার বছরের ঐতিহ্য এ পেশাটি টিকে থাকতে পারবে। নতুবা কালের আবর্তনে হারিয়ে যাবে মৃৎ শিল্প।

 

 

কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দ মুধুসুদনপুর গ্রামসহ এক সময় গ্রাম বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে রান্নাবান্না, খাওয়া-দাওয়া আর অতিথি আপ্যায়ন, প্রায় সব কাজেই মাটির তৈরি হাড়ি পাতিলের ব্যবহার ছিলো। স্বাস্থ্যকর আর সহজ লভ্য ছিলো বলে সব পরিবারেই ছিলো মাটির পাত্রের ব্যবহার।

শীতে খেজুর রস সংগ্রহের জন্য হাড়ি, বাহারি চিতই, পুলি ও ভাঁপা পিঠাসহ নানান জাতের পিঠার জন্য খোলা, দধির পাতিল, টালি, মাটির কলস, লক্ষীঘট, খোলা মুচি, নাদা, মুটকিথালা বাসন, হাড়ী পাতিল সহ বিভিন্ন মাটির সরঞ্জাম তৈরি করতো গ্রাম বাংলার কুমাররা। সেগুলো ভ্যান বা মাথায় করে বিক্রি করেই চলতো তাদের সংসার। খড়, কাঠি আর মাটির সাথেই তাদের জীবনপণ যুদ্ধ ছিলো।

তাদের এই বাহারি মাটির তৈরি সরঞ্জাম তৈরি দেখতে ভিড় জমতো শত শত মানুষ। আর চুলোয় আগুন দেবার সময় আয়োজন করতো কুমাররা, মিষ্টি কিংবা ছিড়ার মোড়া বিলি করতো তারা।

এখন সময়ের পেক্ষাপটে হারিয়ে গেছে এসব চিত্র। এখন তারা কুমার পেশা ছেড়ে দিয়ে ভিন্ন পেশায় ধাবিত হচ্ছে। এর ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে হাজার বছরের ঐতিহ্য আর গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি। মুকুন্দ মুধুসুদনপুর গ্রামে এখন মাত্র ৫/৭ টি পরিবার মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িত থাকতে দেখা যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামের কয়েকজন কুমারের সাথে কথা হয়, তারাপদ পাল নামে এক কুমার ও তার স্ত্রী রাধারানী পাল, তাদের দুর্বিসহ যন্ত্রণার কথা বলেন। এ পেশায় তাদের ঠিকমতো সংসার চলে না। খেয়ে না খেয়েই কাটে তাদের সংসার। এ পেশা ছেড়ে ভিন্ন পেশায় যাবার পুঁজি নেই বলে পেশা পরিবর্তন করতে পারছেন না তারা।

সুপদ পাল নামে এক কুমার বলেন, এক সময় মাটি পেতাম বিনামূল্যে, আর গত দু’বছর আগেও তা ছিলো মাত্র চার’শ টাকায় প্রতি গাড়ি। আর এখন তা ১২’শ থেকে ১৫’শ টাকায় মাটি কিনতে হচ্ছে। কাঁচামালগুলো পোড়াতে কাঠ আর খড়ের দামও বেড়েছে কয়েকগুন।

সব মিলিয়ে বাজারের সব কিছুর দাম বাড়লেও দাম বাড়েনি মাটির তৈরি সরঞ্জামের । একটি খোলা তৈরিতে প্রায় ১৫ টাকা খরচ হলেও বিক্রি হয় ২০/২২ টাকা।
এ সময় হরিপদ পাল, সন্তোষ পাল ও জানান একই কথা। সরঞ্জামাদি তৈরিতে খরচের সাথে বাজার মূল্য নেই।

এছাড়াও আগের মতো এখন আর মাটির পাত্রের চাহিদাও নেই। কারো প্রয়োজন হলে মাঝে মধ্যে নেন। বছরের অধিকাংশ সময়ই কাটে বসে থেকে। এ পেশায় থাকার কারণে আর কোনো কাজ করতে পারেন না তারা। এজন্য সংসার চালাতে কষ্ট হয়। এক সময় পালদের সবাই ছিল কুমার পেশার সাথে, এখন আর নেই।

যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে বাব, দাদার এই পেশা বাদ দিয়ে বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা এদিকে অধিকাংশই কষ্ট করে হলেও বাবা-দাদার এ পেশা চালিয়ে যেতে বাধ্য।
তারা আরও বলেন, সরকারি সহযোগিতা আর বাজারের চাহিদা থাকলে হয়তো হাজার বছরের ঐতিহ্য এ পেশাটি টিকে থাকতে পারবে। নতুবা কালের আবর্তনে হারিয়ে যাবে মৃৎ শিল্প।

সংবাদ টি শেয়ার করে সহযোগীতা করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Tags

এবার প্রাথমিক ডিম-দুধ-মৌসুমী ফল খাওয়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে কংগ্রেসে ভাঙন: মমতা ঘোলা জলে 'বড় মাছ' ধরার চেষ্টা করছেন কাবুলের মসজিদ বিস্ফোরণে দুইজন নিহত কুরআনের মানুষের অধিকার কি? কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা প্রতি কেজি আলুর ভর্তুকি চান ৯টাকা খুলনায় পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে জাপানিদের বাড়ির বাইরে ভ্রমণের জন্য লাগবে টিকা সনদ জিমেইল সুরক্ষিত রাখতে যা করতে হবে ঝাল বেড়েছে সবুজ মরিচে ২৪০ টাকা কেজি! তিনজন আহত দলে ফেরার পর সাকিব বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ে শক্তিশালী ছিলেন নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারকে পুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার অনুমতি পাকিস্তানি তালেবানদের শান্ত করার জন্য ইমরানের উদ্যোগ পিকআপ সিটের পিছনে ৩৮ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে বিএনপি চোখ হারানো নেতা শাহজাহানের সঙ্গে ফখরুলের সাক্ষাৎ বিবর্ণ মোস্তাফিজ; চেন্নাইয়ের ১৮৯ রতুরাজের সেঞ্চুরি ব্রিটিশ আমেরিকান তামাক: গবেষণা ক্ষতিকর তামাকের প্রচারের দিকে পরিচালিত করে ভিপি নূরকে 'অনৈতিক' বলার কোন প্রমাণ নেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে করোনা ইউনিটে আরও ৮ জনের মৃত্যু মাঝ আকাশে বিমান-হেলিকপ্টার সংঘর্ষে দুইজন নিহত মেয়র আতিক উচ্চশিক্ষায় গবেষণার গুরুত্বের প্রতি আহ্বান জানান যাত্রাবাড়ীতে বর্জ্য ব্যবসার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ রাজধানীর একটি বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে এক কিশোরের মৃত্যু রাজধানীর কুড়িলে ট্রেনের ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিতে আগুন রিং আইডির সাইফুল দুই দিনের রিমান্ডে রিয়েলমি জিটি মাস্টার হল দেশের প্রথম স্ন্যাপড্রাগন ৭৭৮জি ৫জি প্রসেসর লিবিয়া ইউরোপে যাওয়ার পথে বাংলাদেশিসহ ৫০০ অভিবাসীকে আটক শতভাগ প্রবীণ নাগরিক ভাতার আওতায় আসবেন শ্যামনগরে সবজি বাজার সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন সবাইকে বাঙালিয়ানা চর্চা পুনরুজ্জীবিত করতে হবে: ইনু সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শেখ রাসেল দিবস পালিত হয়েছে সাতক্ষীরায় র‌্যাব-৬ এর অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাদক ব্যবসায়ী আটক সাতক্ষীরায় সবজি উৎপাদন কৌশল সম্পর্কে কৃষকদের প্রশিক্ষণ সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চল প্রতাপনগরের মানুষ ভাসমান সেতু পেয়ে খুশি সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর আধুনিকায়ন বিষয়ে মতবিনিময় সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান বলেন; বিচার বিভাগ অন্ধকারের বিরুদ্ধে ভোরের সূর্য সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের প্রধান ফটকে কোম্পানীর সেই সাইনবোর্ড বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের প্রতিবাদে অপসারণ সাতক্ষীরায় আ.লীগের বর্ধিত সভায় চেয়ারম্যান প্রার্থীরা তালিকা নিয়ে হট্টগোল! সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২ সাতক্ষীরায় বিজিবি'র অভিযানে ২৫ পিস স্বর্ণের গহনা আটক সাতক্ষীরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস সাতক্ষীরায় র‌্যাব-৬ এর অভিযানে সেনাবাহিনীর এক ভূয়া সদস্য আটক সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে বাঘের চামড়া উদ্ধার ৪০ দিন জামাতে প্রার্থনা করলে কি লাভ?
© All rights reserved © 2023 দেশ সংবাদ ২৪
প্রযুক্তি সহায়তায় রিহোস্ট বিডি