মাদকের ভয়াল থাবা থেকে ছাত্রসমাজকে দূরে রাখা, বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করা এবং অভিভাবকদের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলাজুড়ে বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা। এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৬৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৯ হাজারের অধিক অভিভাবকের কাছে মাদকবিরোধী ও সামাজিক সচেতনতামূলক শুভেচ্ছাপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ৭টায় মুন্সীগঞ্জ একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৫৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬টি কলেজ ও ৫টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্যে এসব শুভেচ্ছাপত্র বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচির উদ্বোধনী কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, মুন্সীগঞ্জ একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আনারুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান শুভ, সদস্য সচিব আল ইমরান রাসেল, আলমডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক হাসনাত রিংকু, সদস্য সচিব মাহমুদুল হক তন্ময়, নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিবুল হক, আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক কাজল রহমান, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাছিদুল ইসলামসহ অন্যান্য শিক্ষক ও নেতৃবৃন্দ।

কর্মসূচি সফল করতে জেলা, উপজেলা, পৌর, কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে অভিভাবকদের হাতে শুভেচ্ছাপত্র পৌঁছে দেন।

শুভেচ্ছাপত্রে মাদক থেকে সন্তানদের দূরে রাখা, মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় প্রশাসন ও সচেতন মহলকে সঙ্গে নিয়ে সমাজের নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মাদক ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও আলমডাঙ্গাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।